16 / 03 / 2026, 07:25 am

*আগামী ১৩, ১৭, ১৮, ১৯, ২০ এবং ২৬ মার্চ ২০২৬ দূতাবাস বন্ধ থাকবে 📎 Holiday March 2026.pdf* *The Embassy will remain closed on 13, 17, 18, 19, 20, and 26 March 2026📎 Holiday March 2026.pdf* *পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অফিস সময়সূচী (📎 Ramadan Office Time.pdf)* *Office hours during the holy month of Ramadan(📎 Ramadan Office Time.pdf)* *দূতাবাসের সকল সেবা গ্রহণের জন্য পূর্বে এপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করা আবশ্যক। এপয়েন্টমেন্ট শুধুমাত্র দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রদত্ত নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে* *All services of the Embassy shall strictly require prior appointment through the designated link available on the Embassy’s official website* *Email for E-passport, Visa, NVR, Certificates & other Consular related Affairs: consular.berlin@mofa.gov.bd For Birth Registration Issues: br.berlin@mofa.gov.bd

This content was last updated on: Wednesday, March 11, 2026 at 03:23 PM

Passport Application & Appointment [পাসপোর্ট আবেদন ও এপয়েন্টমেন্ট]

Content: Pages

নতুন ই-পাসপোর্ট অথবা ই-পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্ট রি-ইস্যু/নবায়ন অথবা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) থেকে ই-পাসপোর্টে কনভার্সন/রূপান্তরের জন্য নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ করে বারকোডসহ প্রিন্ট করুন। এরপর আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য এপয়েন্টমেন্ট বুকিং করে নির্ধারিত তারিখে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে উপস্থিত থাকতে হবে।


অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের জন্য লিংকে ক্লিক করুন >> লিংক


এপয়েন্টমেন্ট বুকিং-এর জন্য লিংকে ক্লিক করুন>> লিংক

(প্রত্যেক আবেদনকারীর জন্য পৃথক এপয়েন্টমেন্ট আবশ্যক। এপয়েন্টমেন্ট কনফার্ম করার পর অনিবার্য কারণে দূতাবাস যেকোনো সময় এপয়েন্টমেন্ট বাতিল করতে পারে। সেজন্য আবেদনকারীদের নিজ দায়িত্বে ভ্রমণ পরিকল্পনা করার অনুরোধ করা হচ্ছে। )


অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনাঃ

ভিডিও টিউটোরিয়াল>> https://youtu.be/g-K2XDCLHJM

১। শুধুমাত্র জার্মানি/চেক রিপাবলিক/কসোভোতে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকগণ আবেদন করতে পারবেন। "বর্তমান ঠিকানা" অংশে জার্মানি/চেক রিপাবলিক/কসোভোর ঠিকানা উল্লেখ না করলে আবেদনটি বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে গ্রহণযোগ্য হবে না।

২। "ব্যক্তিগত তথ্য" অংশে ভুল মোবাইল নম্বর ও ভুল ইমেইল এড্রেস উল্লেখের কারণে আবেদনকারীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলে আবেদন বাতিল করা হতে পারে।

৩। আবেদনকারীর সর্বশেষ পাসপোর্টে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর উল্লেখ থাকলে "ব্যক্তিগত তথ্য" অংশে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করা আবশ্যক।

৪। "স্থায়ী ঠিকানা" অংশে বাংলাদেশের স্থায়ী ঠিকানার সকল তথ্য (গ্রাম, পোস্ট অফিস, পোস্ট কোড, থানা, জেলা) সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বড় শহরের ক্ষেত্রে বাড়ি নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

৫। "জরুরী যোগাযোগের ঠিকানা" অংশে বাংলাদেশের নিকটাত্মীয়ের ফোন নম্বর ও ঠিকানা উল্লেখ করা যুক্তিসঙ্গত।

৬। "মাতা-পিতার তথ্য" অংশে মাতা-পিতার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করুন।


প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস: এপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য নিম্নবর্ণিত ডকুমেন্টস সাথে আনতে হবেঃ

১। এপয়েন্টমেন্ট কনফারমেশনের প্রমাণক।

২। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের বারকোডযুক্ত প্রিন্ট কপি।

৩। জন্মস্থান বাংলাদেশে হলে পূর্ববর্তী পাসপোর্ট ও ফটোকপি। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে পাসপোর্ট নম্বরসহ জিডি/লস্ট রিপোর্টের কপি।

৪। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ। পূর্ববর্তী পাসপোর্টে NID নম্বর থাকলে NID আবশ্যক। পাসপোর্ট আবেদনের তথ্যের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্যের- যেমন; নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, পিতার নাম ও মাতার নামের ইংরেজি বানানে (English spelling) পুরোপুরি মিল থাকতে হবে- অন্যথায় ই-পাসপোর্ট সফটওয়্যারে আবেদন প্রসেস করা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করার পর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য দূতাবাসে আসতে হবে। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ইংরেজি তথ্য যাচাইয়ের ওয়েবলিংক: https://everify.bdris.gov.bd/

৫। রেসিডেন্স পারমিট/ আউসভাইসের ফটোকপি।

৬। শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনরোলমেন্ট সার্টিফিকেট/আইডি কার্ড।

৭। পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য ডাক টিকেট যুক্ত এনভেলপ। জার্মানির জন্য ৫ ইউরো মুল্যের ডাক টিকেট, চেক রিপাবলিকের জন্য ১০ ইউরো মূল্যের ডাক টিকেট যুক্ত করতে হবে।

৮। শিশুর ক্ষেত্রে বয়স ৬ বছরের কম হলে 10x15 সেন্টিমিটার সাইজের ছবি আনতে হবে। ছবিতে শিশুর মুখ ও শরীর সোজা অবস্থায়, উপরে ও দু'পাশে শরীর থেকে দুই সেন্টিমিটার ফাঁকা থাকতে হবে। এনরোলমেন্টের জন্য সকল ডকুমেন্টসহ পিতা অথবা মাতাকে উপস্থিত থাকতে হবে। [ শিশুর ছবির নমুনা] শিশুর পাসপোর্ট আবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির আবেদনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ডকুমেন্ট ও তথ্যের সঠিকতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে পিতা অথবা মাতার উপস্থিতি আবশ্যক। তৃতীয় কোন ব্যক্তির মাধ্যমে কিংবা ডাকযোগে আবেদন প্রেরণ করলে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে না।


ই-পাসপোর্টের ফি: এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সকল ডকুমেন্টসহ উপস্থিত হয়ে ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ড দিয়ে দূতাবাসের POS মেশিনের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট আবেদনের অনলাইন ফরমে সাধারনত মার্কিন ডলারে (USD) ফি প্রদর্শিত হয়। তবে বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনের জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল প্রকার কন্স্যুলার ফি ইউরো মুদ্রায় নির্ধারণ করা আছে। সে অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফি নিম্নরূপ:



আবেদনের প্রকৃতি, পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা ও মেয়াদ


নির্ধারিত ফি


ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে দূতাবাসে ফি
পরিশোধের চার্জ
দূতাবাসে ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে মোট প্রদেয়

সাধারণ আবেদনকারী, ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর

১১০ ইউরো


১ ইউরো



১১১ ইউরো



সাধারণ আবেদনকারী, ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর



১৪০ ইউরো


১.৩০ ইউরো



১৪১.৩০ ইউরো



সাধারণ আবেদনকারী, ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ বছর



১৬৫ ইউরো


১.৫০ ইউরো



১৬৬.৫০ ইউরো



সাধারণ আবেদনকারী, ৬৪ পৃষ্ঠা, ১০ বছর


১৯৫ ইউরো


১.৭৫ ইউরো



১৯৬.৭৫ ইউরো



বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর



৩৫ ইউরো



০.৫০ ইউরো



৩৫.৫০ ইউরো



বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর



৫৫ ইউরো



০.৫০ ইউরো



৫৫.৫০ ইউরো



** ১৮ বছরের কম বয়সী আবেদনকারী শুধুমাত্র ৫ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

** বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে পাসপোর্ট আবেদনের জরুরী বা এক্সপ্রেস পরিষেবা প্রদান করা হয় না।



অনলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন ফর্ম পূরণ সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসা:

প্রশ্ন-১: ই-পাসপোর্টের জন্য কীভাবে আবেদন করতে হয়?

উত্তর: ই-পাসপোর্ট আবেদন দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন করতে হয়: (ক) প্রথম পর্যায়ে ই-পাসপোর্টের অনলাইন লিংকে আবেদন ফর্ম পূরণ করে বারকোডসহ প্রিন্ট করতে হয়। (খ) দ্বিতীয় পর্যায়ে এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়।

প্রশ্ন-২: অনলাইনে আবেদন করার পূর্বে কী কী ডকুমেন্ট থাকতে হবে?

উত্তর: ই-পাসপোর্ট আবেদনের প্রথম পর্যায়ে অর্থাৎ অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের সময় নিচের ডকুমেন্টগুলো সাথে আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন: (ক) বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদের ১৭ ডিজিটের অনলাইন কপি/জাতীয় পরিচয়পত্র। (খ) আবেদনকারীর পূর্ববর্তী বাংলাদেশি পাসপোর্ট। (গ) জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্র/কসোভোর রেসিডেন্স পারমিট। (ঘ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনরোলমেন্ট সার্টিফিকেট।

প্রশ্ন-৩: যদি আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্ট হারিয়ে গিয়ে থাকে- তাহলে কীভাবে ই-পাসপোর্টের আবেদন করবো?

উত্তর: পাসপোর্ট নম্বর এবং নাম উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনে Lost Report বা GD করতে হবে। Lost Report বা GD কপি দিয়ে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যাবে।

প্রশ্ন-৪: যে বাংলাদেশি নাগরিক জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্র/কসোভোতে জন্ম গ্রহণ করেছেন কিন্তু পূর্বে বাংলাদেশের পাসপোর্ট গ্রহণ করেন নাই তিনি কীভাবে আবেদন করবেন?

উত্তর: সেক্ষেত্রে পিতা অথবা মাতার বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন-৫: যেকোন জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে ই-পাসপোর্ট আবেদন করা যাবে কি?

উত্তর: না। শুধুমাত্র বাংলাদেশের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ইংরেজি ভার্সন অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট আবেদন করা যাবে। কোনো বিদেশি জন্মনিবন্ধন সনদ কিংবা বাংলাদেশের ম্যানুয়াল পদ্ধতির জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যাবে না।

প্রশ্ন-৬: যে বাংলাদেশি নাগরিক জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্রে জন্ম গ্রহণ করেছেন কিন্তু বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধন সনদ নাই, তিনি কি জার্মানি বা চেক প্রজাতন্ত্রের জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন?

উত্তর: না। তিনি প্রথমে বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদের জন্য আবেদন করবেন। জন্মনিবন্ধনের আবেদনের অনলাইন লিংক দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। বাংলাদেশের জন্মনিবন্ধন সনদ প্রাপ্তির পর ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন।

প্রশ্ন-৭: আমার জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইনে আছে কিনা কীভাবে বুঝবো?

উত্তর: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদের ভেরিফাইয়েড কপি প্রিন্ট করা যাবে। অনলাইন লিংক>> https://everify.bdris.gov.bd/

প্রশ্ন-৮: আমার বাংলাদেশি জন্ম নিবন্ধন সনদে সিল স্বাক্ষর করা আছে কিন্তু অনলাইনে তথ্য পাওয়া যায় না। এখন আমি কী করবো?

উত্তর: যে অফিস থেকে আপনার জন্ম সনদ ইস্যু করা হয়েছিল সেই অফিসে যোগাযোগ করে সনদটি অনলাইন করতে হবে।

প্রশ্ন-৯: আমার জন্মনিবন্ধন সনদের অনলাইন কপিতে কয়েকটি তথ্য ইংরেজি ভার্সনে নাই তবে বাংলা ভার্সন আছে। এতে কোন সমস্যা হবে?

উত্তর: অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদে নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, মাতার নাম ও পিতার নাম এই ৫টি তথ্য ইংরেজিতে উল্লেখ না থাকলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রশ্ন-১০: জন্ম নিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র কি দূতাবাসে সংশোধন করা যাবে?

উত্তর: না। জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র যে অফিস থেকে ইস্যু করা হয়েছে সেই অফিসে যোগাযোগ করে সংশোধন করতে হবে।

প্রশ্ন-১১: আমার পাসপোর্ট আবেদনের তথ্যের সাথে আমার জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের গড়মিল আছে- এতে কি সমস্যা হবে?

উত্তর: জন্ম নিবন্ধন সনদ কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রে (NID) যে তথ্য রয়েছে সে অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট করা হবে। জন্ম নিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রে কোন তথ্য বা বানান (Spelling) ভুল থাকলে সেটা সংশোধন করে তারপর পাসপোর্ট আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন-১২: আমার পূর্ববর্তী MRP অর্থাৎ মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে যে তথ্য রয়েছে আমি সে অনুযায়ী নতুন পাসপোর্ট করতে চাই। কিন্তু আমার জন্ম নিবন্ধন সনদে তথ্যের সামান্য গড়মিল আছে। এতে কি সমস্যা হবে?

উত্তর: আপনার পুরাতন পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে না, বরং অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ইংরেজি তথ্য অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।

প্রশ্ন-১৩: আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্টে নামের প্রথম অংশ এবং শেষ অংশ যেমন আছে আমি তেমন তথ্যই নতুন পাসপোর্টে চাই। কিন্তু অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদে নামের প্রথম অংশ ও শেষ অংশ সঠিক নাই। এতে কি সমস্যা হবে?

উত্তর: আপনি নতুন পাসপোর্টের তথ্য যেভাবে রাখতে চান, অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ইংরেজি তথ্য ঠিক সেভাবে সংশোধন করে তারপর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন-১৪: আমার পূর্ববর্তী MRP পাসপোর্টে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর উল্লেখ আছে। এখন আমি আমার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবো কি?

উত্তর: না। পূর্ববর্তী পাসপোর্টে NID নম্বর উল্লেখ থাকলে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন করা যাবে না, NID অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন-১৫: আমার পূর্ববর্তী MRP পাসপোর্টে জন্ম নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ আছে। এখন আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অনুযায়ী পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবো কি?

উত্তর: হ্যাঁ। পূর্বের পাসপোর্টে জন্মনিবন্ধন নম্বর উল্লেখ থাকলে এখন NID অনুযায়ী আবেদন করা যাবে। তবে পূর্বের পাসপোর্টে NID নম্বর দেওয়া থাকলে NID নম্বর দিয়েই আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী আবেদনের সুযোগ নাই।

প্রশ্ন-১৬: যে বাংলাদেশি নবজাতক জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্রে জন্ম গ্রহণ করেছেন কিন্তু এখনও তার নামে জার্মানি বা চেক প্রজাতন্ত্রের রেসিডেন্স পারমিট নাই। তার ক্ষেত্রেও কি রেসিডেন্স পারমিট বাধ্যতামূলক?

উত্তর: বাংলাদেশি নবজাতকের ক্ষেত্রে তার পিতা/মাতার রেসিডেন্স পারমিটের কপি প্রযোজ্য হবে।

প্রশ্ন-১৭: অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করলেই কি পাসপোর্ট পাওয়া যাবে?

উত্তর-: না। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন হলো প্রাথমিক পর্যায়। অনলাইনে আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিয়ে দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করলে তবেই পাসপোর্ট আবেদন প্রসেস করা যাবে।

প্রশ্ন-১৮: অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফর্ম পূরণের লিংক কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনের ওয়েবসাইটে ই-পাসপোর্ট আবেদনের অনলাইন লিংক দেওয়া আছে। অনলাইন আবেদনের লিংক

প্রশ্ন-১৯: বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) এর আবেদন করা যাবে কি?

উত্তর: না। বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনে পূর্বতন পদ্ধতির মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) এর পরিবর্তে উন্নত প্রযুক্তির ই-পাসপোর্ট সার্ভিস চালু হয়েছে। অত্র দূতাবাসেশুধুমাত্র ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যাবে।

প্রশ্ন-২০: ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কি ছাপানো ফর্ম পাওয়া যায়?

উত্তর: না। ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কোনো ছাপানো ফর্ম নাই। শুধুমাত্র অনলাইনে ফর্ম পূরণ করে প্রিন্ট করতে হয়।

প্রশ্ন-২১: অনলাইনে আবেদনের ফর্ম পূরণ করতে কি দূতাবাসে যেতে হয়?

উত্তর: না। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফর্ম পূরণ করতে দূতাবাসে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নাই। ঘরে বসেই মোবাইলে বা কম্পিউটারের সাহায্যে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফর্ম পূরণ করা যায়। তবে অনলাইনে ফর্ম পূরণের পর এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়।

প্রশ্ন-২২: অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের সময় মার্কিন ডলার মুদ্রায় ফি প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে ফি কত পরিশোধ করতে হবে?

উত্তর: বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনে ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারে প্রদর্শিত উক্ত হার প্রযোজ্য নয়। বরং অত্র দূতাবাসের ক্ষেত্রে সরকারি বিধান অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির পাসপোর্টের জন্য ইউরো মুদ্রায় ফি নির্ধারিত রয়েছে। দূতাবাসে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে তবেই ইউরো মুদ্রায় নির্ধারিত ফি শুধুমাত্র ব্যাংক কার্ড দিয়ে পরিশোধ করতে হয়।

প্রশ্ন-২৩: ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফি কত?উত্তর: ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফি নিম্নরূপ:(১) ৫ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ১১০ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ১১১ ইউরো](২) ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ১৪০ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ১৪১.৩০ ইউরো](৩) ৫ বছর মেয়াদি ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ১৬৫ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ১৬৬.৫০ ইউরো](৪) ১০ বছর মেয়াদি ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ১৯৫ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ১৯৬.৭৫ ইউরো](৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে: ৫ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৩৫ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ৩৫.৫০ ইউরো(৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে: ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৫৫ ইউরো [ট্রাঞ্জেকশন চার্জসহ ৫৫.৫০ ইউরো]

প্রশ্ন-২৪: পাসপোর্টের ফি কীভাবে পরিশোধ করা যায়?

উত্তর: দূতাবাসের POS মেশিনের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ড দিয়ে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট আবেদনের অনলাইন ফরমে সাধারনত মার্কিন ডলারে (USD) ফি প্রদর্শিত হয়। তবে বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনের জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল প্রকার কন্স্যুলার ফি ইউরো মুদ্রায় নির্ধারণ করা আছে।

প্রশ্ন-২৫: ই-পাসপোর্টের ফি দুতাবাসে নগদ পরিশোধ করা যায়?

উত্তর: না। দূতাবাসে ফি নগদ পরিশোধের কোন সুযোগ নাই। শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ড দিয়ে ফি পরিশোধ করা যায়।

প্রশ্ন-২৬: অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের সময় মেসেজ দেখায় যে, এই পাসপোর্ট অফিসে এপয়েন্টমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন নাই। তাহলে কি এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দূতাবাসে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে?

উত্তর: না। আপনি হয়তো উক্ত মেসেজের প্রথম অংশ পড়েছেন। মেসেজের পরের অংশে বলা হয়েছে: "বাংলাদেশ মিশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রচলিত নিয়ম জেনে নিতে হবে।" বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনে যেকোনো কনস্যুলার সার্ভিসের জন্য এপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক। এ বিষয়টি দূতাবাসের ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে।


ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসা:

প্রশ্ন-১: অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করলেই কি পাসপোর্ট পাওয়া যাবে?

উত্তর: না। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন হলো প্রাথমিক পর্যায়। অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিয়ে দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করলে তবেই পাসপোর্ট আবেদন প্রসেস করা যাবে।

প্রশ্ন-২: আমি অনলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন করেছি। এখন আমাকে দূতাবাসে যেতে হবে কিনা?

উত্তর: হ্যাঁ। আপনি অনলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন করেছেন- এতে একটি পর্যায় সম্পন্ন করেছেন। এখন এই আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দূতাবাসে উপস্থিত থেকে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে।

প্রশ্ন-৩: ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট কীভাবে করতে হয়?

উত্তর: দূতাবাসে ই-পাসপোর্টের নির্দিষ্ট কম্পিউটারের মাধ্যমে আবেদনকারীর ছবি তোলা, হাতের আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ ও স্বাক্ষর গ্রহণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট করা হয়।

প্রশ্ন-৪: ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য কি এপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়?

উত্তর: এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে বায়োমেট্রিক এনরোলমেনটের সুযোগ নাই।

প্রশ্ন-৫: দূতাবাসে ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট করতে এপয়েন্টমেন্ট কীভাবে পাওয়া যাবে?

উত্তর: এপয়েন্টমেন্ট বুকিং এর লিংক দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ সশরীরে দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে। এপয়েন্টমেন্ট বুকিং এর লিংক

প্রশ্ন-৬: দূতাবাসে ফোন করে এপয়েন্টমেন্ট বুকিং করা যাবে কি?

উত্তর: না। শুধুমাত্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত লিংক থেকে এপয়েন্টমেন্ট বুকিং করা যাবে।

প্রশ্ন-৭: দূতাবাসে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের সময় কী কী ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে আসতে হবে?

উত্তর: যেসব ডকুমেন্ট সাথে আনতে হবে: (ক) অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের প্রিন্ট কপি (বারকোডসহ)। (খ) এপয়েন্টমেন্ট কনফারমেশনের প্রিন্ট কপি। (গ) আবেদনকারীর পূর্ববর্তী বাংলাদেশি পাসপোর্ট। (ঘ) বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদের ১৭ ডিজিটের অনলাইন কপি/জাতীয় পরিচয়পত্র।(ঙ) জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্রের রেসিডেন্স পারমিট। (চ) শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনরোলমেন্ট সার্টিফিকেট। (ছ) POS মেশিনের মাধ্যমে ফি পরিশোধের জন্য ব্যাংক কার্ড। (জ) পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট ডেলিভারির ক্ষেত্রে ডাক টিকেট যুক্ত এনভেলপ। জার্মানির জন্য ৫ ইউরো মুল্যের ডাক টিকেট, চেক রিপাবলিকের জন্য ১০ ইউরো মূল্যের ডাক টিকেট যুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন-৮: শিশুর পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রেও কি বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট প্রয়োজন হবে?

উত্তর: ৬ (ছয়) বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট প্রযোজ্য নয়। তবে অন্য আবেদনকারীদের মতোই এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সকল ডকুমেন্ট ও শিশুর নির্দিষ্ট সাইজের ছবিসহ পিতা অথবা মাতাকে উপস্থিত থাকতে হবে।

প্রশ্ন-৯: ৬ (ছয়) বছরের কম বয়সী শিশুর আবেদন দূতাবাসে এনরোলমেন্টের জন্য কী কী ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে আসতে হবে?

উত্তর: ৬ বছরের কম বয়সী শিশুর আবেদন দূতাবাসে এনরোলমেন্টের সময় পিতা অথবা মাতাকে নিচের ডকুমেন্টগুলো নিয়ে আসতে হবে:(ক) অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের প্রিন্ট কপি (বারকোডসহ)। (খ) এপয়েন্টমেন্ট কনফারমেশনের প্রিন্ট কপি। (গ) শিশুর পূর্ববর্তী বাংলাদেশি পাসপোর্ট। শিশুর পাসপোর্ট না থাকলে পিতা অথবা মাতার বাংলাদেশি পাসপোর্ট। (ঘ) বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদের ১৭ ডিজিটের অনলাইন কপি। (ঙ) জার্মানি/চেক প্রজাতন্ত্রের রেসিডেন্স পারমিট। শিশুর রেসিডেন্স পারমিট না থাকলে পিতা/মাতার রেসিডেন্স পারমিট। (চ) শিশুর রঙিন ছবি [ছবির সাইজ: ১৫ সেন্টিমিটার X ১০ সেন্টিমিটার, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা/ধূসর, ছবিতে শিশুর দুই কান স্পষ্ট দেখা যেতে হবে, মাথার উপরে এবং দু'পাশে ফাঁকা থাকতে হবে] (ছ) মেশিনের মাধ্যমে ফি পরিশোধের জন্য ব্যাংক কার্ড। (জ) পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট ডেলিভারির ক্ষেত্রে ডাক টিকেট যুক্ত এনভেলপ। জার্মানির জন্য ৫ ইউরো মুল্যের ডাক টিকেট, চেক রিপাবলিকের জন্য ১০ ইউরো মূল্যের ডাক টিকেট যুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন-১০: কোনো কারণে আবেদনকারী সশরীরে দূতাবাসে উপস্থিত হতে না পারলে তাঁর আবেদন গ্রহণের সুযোগ আছে কিনা?

উত্তর: না। ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়- এর কোন বিকল্প নাই। তবে ৬ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে তার অভিভাবককে উপস্থিত থাকতে হয়।

প্রশ্ন-১১: বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনের বর্তমান ঠিকানা কোথায়?

উত্তর: বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনের ঠিকানা: Embassy of Bangladesh, Kaiserin-Augusta-Allee 111, 10553 Berlin


ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট পরবর্তী সাধারণ জিজ্ঞাসা:

প্রশ্ন-১: আবেদন জমা দেওয়ার কত দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়?

উত্তর: ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে এবং সকল তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিক থাকলে সাধারণত ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।

প্রশ্ন-২: আর্জেন্ট/এক্সপ্রেস আবেদনের ক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়?

উত্তর: বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনে ই-পাসপোর্টের আর্জেন্ট/এক্সপ্রেস সার্ভিস দেওয়া হয় না।

প্রশ্ন-৩: আমার ই-পাসপোর্ট আবেদনের বর্তমান অবস্থা কিভাবে জানতে পারবো?

উত্তর: আপনি অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ফর্ম পূরণের সময় যে ইমেইল আইডি ব্যবহার করেছেন- সেই ইমেইলে আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস জানানো হয়েছে। এছাড়া ডেলিভারি স্লিপের অপর পৃষ্ঠায় আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম উল্লেখ আছে। দূতাবাসের ওয়েবসাইটে আবেদনের স্ট্যাটাস অনলাইনে চেক করার লিংক দেওয়া আছে। লিংক>> Please Click Here

প্রশ্ন-৪: আমার পাসপোর্ট আবেদন Rework এর জন্য লোকাল অফিসে ফেরত এসেছে। এখন কী করণীয়?

উত্তর: ঢাকাস্থ পাসপোর্ট অফিস আপনার আবেদনের কোন তথ্য বা ডকুমেন্টের অসঙ্গতি পেয়ে আবেদনটি Rework এর জন্য ফেরত দিয়েছে। এখন আবেদনটি পুনরায় সাবমিট করা যাবে কিনা তা দূতাবাসে যোগাযোগ করে জেনে নিতে হবে।

প্রশ্ন-৫: আবেদনের সাথে সকল তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরেও আবেদন Rework এর জন্য ফেরত আসে কেন?

উত্তর: পাসপোর্ট আবেদনের প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজ দূতাবাসে সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু আবেদনটি অনুমোদনযোগ্য কিনা তা যাচাই করে ঢাকাস্থ পাসপোর্ট অফিস। সেখানে কোন অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আবেদনটি Rework এর জন্য ফেরত দেওয়া হয়।

প্রশ্ন-৬: ই-পাসপোর্ট আবেদন Rework এর জন্য ফেরত আসার পর আবেদনকারী সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্ট জমা দিতে ব্যর্থ হলে কী হবে?

উত্তর: আবেদনকারী সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্ট দিতে ব্যর্থ হলে Rework সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। ফলে আবেদনটি বাতিল করতে হতে পারে।

প্রশ্ন-৭: ই-পাসপোর্ট আবেদনের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরেও কি আবেদন প্রত্যাখ্যাত (Reject) হতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ। বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ঢাকাস্থ পাসপোর্ট অফিসে আবেদন যাচাই করে। সেখানে কোন অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত (Reject) হতে পারে এবং Rework এর জন্য ফেরত আসতে পারে।

প্রশ্ন-৮: মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্ট বলতে কী বুঝায়?

উত্তর: কোন আবেদনকারীর যদি একাধিক পাসপোর্ট একটিভ পাওয়া যায় তাহলে সেই অবস্থাকে মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্ট বলা হয়।

প্রশ্ন-৯: মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্টের কারনে আবেদন Rework এর জন্য ফেরত আসলে কী করণীয়?

উত্তর: এক্ষেত্রে সর্বশেষ পাসপোর্ট চালু রেখে পুরাতন পাসপোর্টগুলো টার্মিনেট করার জন্য নির্দিষ্ট ফর্মে দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। আবেদনের সাথে পুরাতন একটিভ পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হয়।

প্রশ্ন-১০: মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্টের সমাধান পেতে কতদিন সময় লাগে?

উত্তর: পাসপোর্ট অধিদপ্তর বিষয়টি ভেরিফিকেশনের পর পুরাতন পাসপোর্ট টার্মিনেট করার নির্দেশনা জারি করে। এই প্রক্রিয়া সাধারণত অনেক সময়সাপেক্ষ।

প্রশ্ন-১১: আমার পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস "Dispatched for Issuance" অথবা "Shipped" দেখালে কী বুঝতে হবে?

উত্তর: এই স্ট্যাটাসের অর্থ- আপনার পাসপোর্ট ঢাকা থেকে প্রেরণ করা হয়েছে কিন্তু এখনও দূতাবাসে এসে পৌঁছে নাই।

প্রশ্ন-১২: আমার পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস "Ready for Issuance" দেখালে কী বুঝতে হবে?

উত্তর: এই স্ট্যাটাসের অর্থ- আপনার পাসপোর্ট দূতাবাসে এসে পৌঁছেছে এবং সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত আছে।

প্রশ্ন-১৩: আমার পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস "Issued" দেখালে কী বুঝতে হবে?

উত্তর: এই স্ট্যাটাসের অর্থ- আপনার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে এবং ইস্যু করার পর আপনি/আপনার প্রতিনিধি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন অথবা পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে। প্রশ্ন-১৪: আমি ইমেইল পেয়েছি যে আমার পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য প্রস্তুত আছে। এখন কীভাবে পাসপোর্ট সংগ্রহ করবো?

উত্তর: আপনার ই-পাসপোর্ট আবেদনের ডেলিভারি স্লিপ জমা দিয়ে দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রশ্ন-১৫: ডেলিভারি স্লিপ কী?

উত্তর: দূতাবাসে আপনার বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের সময় নম্বরযুক্ত একটি স্লিপ দেওয়া হয়েছিল- সেটাই ডেলিভারি স্লিপ।

প্রশ্ন-১৬: পাসপোর্ট প্রস্তুত হওয়ার পর আমি কি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবো?

উত্তর: হ্যাঁ। আপনি অথরাইজেশন লেটারের মাধ্যমে অন্যকোন ব্যক্তিকে পাসপোর্ট সংগ্রহের দায়িত্ব দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে ডেলিভারি স্লিপ সাথে আনতে হবে।

প্রশ্ন-১৭: পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট ডেলিভারি পাওয়া যাবে কি?

উত্তর: ডাকটিকেটযুক্ত এবং ঠিকানা সম্বলিত এনভেলপ জমা দিলে আবেদনকারীর ঠিকানায় পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট প্রেরণ করা হয়।

প্রশ্ন-১৮: আমি পোস্টাল সার্ভিসে পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য ডাকটিকেটযুক্ত এনভেলপ দূতাবাসে জমা দিয়েছিলাম। আমার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পাসপোর্ট হাতে পাই নাই। আমার পাসপোর্টের লোকেশন কীভাবে জানতে পারবো?

উত্তর: সম্প্রতি যেসব পাসপোর্ট পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে তার একটি তালিকা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে আপলোড করা আছে। তালিকায় উল্লেখিত ডয়েচ পোস্টের ট্র‍্যাকিং নম্বর দিয়ে চেক করলেই পাসপোর্ট ডেলিভারির তথ্য জানতে পারবেন।

প্রশ্ন-১৯: ডয়েচ পোস্টের ট্র‍্যাকিং নম্বর দিয়ে কীভাবে আমার পাসপোর্ট ডেলিভারির তথ্য জানবো?

উত্তর: ডয়েচ পোস্টের মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে ট্র‍্যাকিং নম্বর দিয়ে পোস্টাল ডেলিভারির তথ্য জানতে পারেন।



[Instructions in English]


For applying for a new e-passport/re-issue or renew of an e-passport/conversion of MRP to e-passport, please fill out the online application form according to the instructions below and print it with the barcode. Then, book an appointment for the applicant's biometric enrollment and be present at the Bangladesh Embassy in Berlin on the scheduled date and time with the required documents.

To fill out the online application form, Click on the link >> Link


For Appointment Booking, click on the link >> Link

(A separate appointment is required for each applicant. Even after confirmation, the embassy may cancel appointments due to unforeseen circumstances. Applicants are kindly advised to plan their travel accordingly.)


Instructions for Filling Out the Online Application Form:

1. Only Bangladeshi citizens residing in Germany / Czech Republic / Kosovo are eligible to apply. If an address in Germany, Czech Republic, or Kosovo is not mentioned in the "Present Address" section, the application will not be accepted by the Embassy of Bangladesh in Berlin.

2. If an incorrect mobile number or email address is provided in the "Personal Information" section, and the applicant cannot be contacted as a result, the application may be rejected.

3. If the applicant’s most recent passport includes a National ID (NID) number, it is mandatory to provide the NID number in the "Personal Information" section.

4. In the "Permanent Address" section, all details of the permanent address in Bangladesh (village, post office, postal code, police station, district) must be mentioned accurately. For major cities, the house number must also be provided.

5. In the "Emergency Contact Address" section, it is reasonable to provide the phone number and address of a close relative in Bangladesh.

6. In the "Parents' Information" section, please mention the National ID/Birth Registration Number of the applicant’s father and mother.



Required documents: The following documents must be brought during biometric enrollment for e-passport application:

1. Proof of appointment confirmation.

2. Printed copy of the online e-passport application with barcode.

3. If the place of birth is Bangladesh: previous passport and photocopy. If the passport is lost, a copy of the General Diary (GD) with the passport number must be provided.

4. National ID (NID) or online birth registration certificate. If the NID number is mentioned in the previous passport, then NID is mandatory. The information provided in the passport application— such as name, date of birth, place of birth, father’s name, and mother’s name must exactly match the English spelling of the information in the National ID card / online Birth Registration Certificate . Otherwise, it will not be possible to process the application in the e-passport software. In that case, after getting corrected National ID card / online Birth Registration Certificate, the applicant must appear at the embassy for biometric enrollment. To verify information of your online Birth Registration Certificate click the following link: https://everify.bdris.gov.bd/

5. Photocopy of residence permit/Ausweis.

6. In case of student applicant, ID card/ enrolment certificate of the university.

7. For passport delivery via postal service, please bring an envelope with postal stamp worth 5 euro for Germany, postal stamp worth 10 euro for Czech Republic.

8. If the applicant is under 6 years old, a photograph sized 10x15 cm must be submitted. The child's face and body must be straight, with a 2 cm gap from the top and both sides of the body. [Sample Picture] Applying for a child’s passport is as important as applying for an adult's. To ensure the accuracy of information and documents, the presence of either parent (father or mother) at the embassy is mandatory for enrolment process. Please note: Applications submitted through a third party or sent via mail may not be acceptable.


E-passport Fee: The prescribed fee must be paid through POS machine of the Embassy using a bank card. In the online form for e-passport applications, the fees are usually displayed in US dollars (USD). However, according to the government instructions, all types of consular fees are fixed in euros (EUR) for the Embassy of Bangladesh in Berlin. Accordingly, the e-passport application fees are as follows:



Type of Applicant, Number of pages

& validity of passport


Fee

(in Euro)


Transaction Charge
for Credit Card/
Debit Card
Total (Card payment
at Embassy)

General Applicant, 48 pages, 5 years validity


110 Euro


1 Euro


111 Euro


General Applicant, 48 pages, 10 years validity


140 Euro


1.30 Euro


141.30 Euro


General Applicant, 64 pages, 5 years validity


165 Euro


1.50 Euro


166.5 Euro


General Applicant, 64 pages, 10 years validity


195 Euro


1.75 Euro


196.75 Euro


University Student, 48 pages, 5 years validity

35 Euro

0.50 Euro


35.50 Euro


University Student, 48 pages, 10 years validity

55 Euro

0.50 Euro


55.50 Euro



** Applicants under the age of 18 can only apply for a 48-page passport with 5-year validity.

** Emergency or Express passport application services are not provided at the Embassy of Bangladesh in Berlin.

Accessibility

Download Screen Reader